Tista Express Logo
ঢাকাবৃহস্পতিবার , ১৯ আগস্ট ২০২১
  1. Active
  2. অন্যান্য
  3. অপরাধ
  4. অর্থনীতি
  5. আইন-আদালত
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আবহাওয়া
  8. করোনাভাইরাস
  9. কৃষি ও প্রকৃতি
  10. ক্যাম্পাস
  11. খেলাধুলা
  12. গণমাধ্যম
  13. জবস
  14. জাতীয়
  15. জেলা/উপজেলা
আজকের সর্বশেষ সবখবর

পরীক্ষার আগে ফি মওকুফ চায় ইবি শিক্ষার্থীরা

এম বি রিয়াদ, ইবি প্রতিনিধি
আগস্ট ১৯, ২০২১ ৪:৫৪ অপরাহ্ণ
Link Copied!

করোনা সংক্রমণ পরিস্থিতি উন্নতি না হওয়ায় অনলাইনে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) স্নাতক ও স্নাতকোত্তরের চূড়ান্ত পরীক্ষার সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রশাসন। গত ১৭ আগস্ট ভিসি ড. শেখ আবদুস সালামের সভাপতিত্বে বিভিন্ন অনুষদের ডিনদের নিয়ে অনুষ্ঠিত সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। অনলাইন পরীক্ষা গ্রহণের চূড়ান্ত নীতিমালাও তৈরী করেছে প্রশাসন। এতে শিক্ষার্থীদের সকল ফি সম্পূর্ণ প্রদানের নির্দেশনা দেয়া হয়েছ। এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

পরীক্ষার আগে আবাসিক হল, পরিবহন ও বিভাগীয় সকল ফি মওকুফের দাবি জানিয়েছে শিক্ষার্থীরা। একই দাবিতে বৃহস্পতিবার (১৯ আগস্ট) বিবৃতি দিয়েছে শাখা ছাত্র মৈত্রী। সংগঠনটির সভাপতি আব্দুর রউফ ও সাধারণ সম্পাদক মুতাসিম বিল্লাহ পাপ্পু এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন, করোনায় শিক্ষার্থীদের অর্থনৈতিক অবস্থা ক্ষত-বিক্ষত। দেড় বছর হল ও পরিবহন ব্যবহার না করার পরেও ফি আদায় করা সম্পূর্ণ অযৌক্তিক। অনতিবলম্বে সকল ফি মওকুফ করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করবে বলে আমরা আশা করি। এ সময় দাবি না মানলে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তারা।

ক্যাম্পাস সূত্রে, এ বছর ৯ জানুয়ারি সকল ফি মওকুফসহ তিন দফা দাবিতে ছাত্র সমাবেশ ও ভিসি বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেছিল ছাত্র ইউনিয়ন ইবি সংসদ। পরে ১৩ জানুয়ারি একই দাবিতে গণস্বাক্ষর কর্মসূচি পালন করে তারা। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের পাচঁ শতাধিক শিক্ষার্থী স্বাক্ষর করেন। এ সময় ভিসি প্রফেসর ড. শেখ আবদুস সালাম বিষয়টি ইতিবাচক ভাবে নিয়েছিলেন এবং আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেবেন বলে আশ্বস্ত করলে তারা আন্দোলন স্থগিত করেন।

পরে ২৮ জুন বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্র মৈত্রী সকল ফি মওকুফের দাবিতে ভিসি বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করে। ভিসির অনুপস্থিতিতে স্মারকলিপি গ্রহণ করেন ট্রেজারার প্রফেসর ড. আলমগীর হোসেন ভূঁইয়া। সে সময় তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের সামর্থ্য অনুযায়ী সকল ফি কমানো হবে বলে আশ্বস্ত করেছিলেন। এছাড়াও সাধারণ শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন সময় ফি মওকুফের দাবি জানিয়ে আসছেন।

ব্যবস্থাপনা বিভাগের স্নাতক চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী আশিকুর রহমান বলেন, দীর্ঘ সময়ের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকার দরুন শিক্ষার্থীরা বঞ্চিত হয়েছে হল, পরিবহন ও একাডেমিক নানা সুবিধা থেকে। এদিকে একের পর এক লকডাউন ও কঠোর বিধিনিষেধের জন্য অধিকাংশ মানুষের আর্থিক স্বচ্ছলতা অনেকাংশ হৃাস পেয়েছে। ইতোমধ্যে অনেক শিক্ষার্থীরা ঝরে পড়েছে এবং বেছে নিয়েছে জীবিকা নির্বাহের পথ। তাই আর্থিক ও মানবিক বিবেচনায় ফি মওকুফ করার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করছি।

ছাত্র ইউনিয়ন ইবি সংসদের সাধারণ সম্পাদক জি কে সাদিক বলেন, দেড় বছর ধরে শিক্ষার্থীদের পিছনে কোনো ব্যয় করতে হয়নি। ব্যয় না করে ফি নেওয়া অযৌক্তিক। আমরা গত জানুয়ারিতে সকল ফি মওকুফের দাবিতে ছাত্র সমাবেশ ও গণসাক্ষর কর্মসূচি করে প্রশাসনকে দিয়েছি। ভিসি স্যার আশ্বাস দিয়েছিলেন। কিন্তু এখনও কোনো উদ্যোগ নেননি। সামনের নতুন বাজেটে যদি এসব ফি মওকুফ করা না হয় তাহলে শিক্ষার্থীরা তাদের হিসাব বুঝে নিবে। ছাত্র ইউনিয়ন সেই হিসাব বুঝে নিতেই আছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর ড. আলমগীর হোসেন ভূঁইয়া বলেন, ভিসি স্যার জরুরি কাজে ক্যাম্পাসের বাইরে আছেন। স্যারের সাথে এ বিষয়ে আমার কথা হয়েছে। ক্যম্পাসে ফিরলে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।